ইউক্রেনের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, দেশটির জাপোরিঝঝিয়া শহরে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত এবং একজন আহত হন। এছাড়া ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন তিনজন।
কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বন্দরনগরী ওদেসা এবং এর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ওদেসার আঞ্চলিক প্রধান ওলেহ কিপের জানান, সেখানে হামলায় অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন। হামলার শিকার একটি বহুতল আবাসিক ভবনের ওপরের অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আসন্ন শীত মৌসুমকে সামনে রেখে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ও জননিরাপত্তা লক্ষ্য করে রাশিয়া হামলা জোরদার করছে বলে অভিযোগ করেছে কিয়েভ।
ভারতে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ইউরোপীয় সরকারগুলো যদি ইউক্রেনে সেনা পাঠায়, তবে তা হবে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ।
পুতিন বলেন, ‘তারা এখন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে আলোচনা চলছে। এর অর্থ হলো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ।’ তবে ইউরোপের জন্য রাশিয়া কোনো হুমকি নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো হুমকি নেই এবং কখনোই ছিল না। আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোকে কোনো হুমকি দিচ্ছি না এবং তেমন কোনো উদ্দেশ্যও আমাদের নেই।’
কিছু ইউরোপীয় নেতা ইউক্রেনে সম্ভাব্য শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর ব্যাপারে আলোচনা করলেও মস্কো শুরু থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
এদিকে পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, চলতি সপ্তাহে পোল্যান্ড ও মলদোভা সীমান্তে ঘটা দুটি ঘটনা ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সম্ভাব্য উসকানি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে ইউক্রেন ও মলদোভা সীমান্ত চৌকিতে রুশ ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হন। এছাড়া বুধবার রাতে পোল্যান্ড-ইউক্রেন সীমান্তেও সরাসরি একটি হুমকি তৈরি হয়েছিল, যা দুই দেশের যৌথ সতর্কতায় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।





