২৪ ঘণ্টা ফোন জব্দ রেখেছিল পুলিশ, তথ্য বিকৃতির আশঙ্কা সিজেপি নেতাদের

প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও রত্না সিং
বিদেশে এখন
0

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনে আটকের পর মুক্তি পেয়ে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শীর্ষ নেতারা। আজ (রোববার, ১১ অক্টোবর) হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, ২৪ ঘণ্টা ধরে তাদের মুঠোফোন বেআইনিভাবে জব্দ করে রাখা হয়েছিল এবং সেগুলোতে আড়িপাতা বা ভুয়া প্রমাণ ঢুকিয়ে দেয়া হয়ে থাকতে পারে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

আজ (রোববার, ১১ অক্টোবর) বিকেলে নয়াদিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস বলেন, ‘আমাদের দাগি অপরাধীদের মতো বিমান থেকে তুলে নেয়া হয় এবং জোরপূর্বক ফোন কেড়ে নেয়া হয়।’ তিনি অভিযোগ করেন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া ও কোনো ধরনের জব্দতালিকা অনুসরণ করেনি পুলিশ। ডিভাইসগুলো ক্লোন করে বিভ্রান্তিকর প্রমাণ ফাঁদার চেষ্টা হতে পারে বলেও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।

শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে বিমানে নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পরই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করে পুলিশ। রোববার সকালে এক বছরের জন্য ‘শান্তি ও ভালো আচরণ বজায় রাখার’ মুচলেকায় তাদের ছাড়া হয়। এ প্রসঙ্গে আশুতোষ রাঙ্কা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে সরকারই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে। হাজার হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সিজেপি নেতারা জানান, যন্তর মন্তরে নির্ধারিত স্থানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি থাকলেও পুরো এলাকাকে হাজার হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। তবে বাধা সত্ত্বেও সিইসি জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

এদিকে আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের মারধর ও নারী বিক্ষোভকারীদের হেনস্তার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হিন্দু রক্ষা দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এএম