সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বর্তমানে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সঙ্গে তার বৈঠকের সময় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে দুই নেতার এটি দ্বিতীয় বৈঠক।
তবে স্বাক্ষরিত চুক্তির বিস্তারিত বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত মাসে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের তীব্র হতে থাকা যুদ্ধের মধ্যে দেশটির সামরিক সহায়তা দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সিরিয়া।
সে সময় এক সিরীয় কূটনীতিক জানিয়েছিলেন, সামরিক সহযোগিতা বা অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে যেকোনো অনুরোধ সরাসরি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক চুক্তির কাঠামোর মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হবে।
ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে আত্মরক্ষা ও পাল্টা হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কাছে সহায়তা চেয়ে আসছে সৌদি আরব।
প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সফরকালে প্রতিরক্ষা চুক্তি ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে আরও কয়েকটি সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে। সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে দামেস্কের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করছে রিয়াদ।
সিরিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে তাদের ছয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় সিরিয়ার বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবা খাতের সহায়তায় ৪০ কোটি ৩০ লাখ (৪০৩ মিলিয়ন) ডলারের বেশি সহজ শর্তে ঋণ দেবে সৌদি আরব।





