ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় ২ হাজার কিলোমিটারের সীমা তুলে নিলো ইরান

তেহরানের আজাদি স্কয়ারে ইরানের একটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রদর্শন করা হচ্ছে
বিদেশে এখন
0

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় নিজেদের দেয়া ২ হাজার কিলোমিটারের (১ হাজার ২০০ মাইল) সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর মধ্য দিয়ে দেশটি আরও বেশি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথে অগ্রসর হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন করে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কার মুখে শনিবার তেহরানের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপের কথা জানানো হয়।

এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে আসা ‘যেকোনো ধরনের ও পর্যায়ের হুমকির’ জবাবে কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই পাল্টা আঘাত হানবে ইরান। শনিবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে জানতে চাইলে রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল হোসেন মোহেব্বি বলেন, ‘আমাদের জন্য সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে।’

তবে এই সীমা অতিক্রম করতে সক্ষম এমন কোনো ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের কাছে বর্তমানে আছে কি না, তা স্পষ্ট করেননি জেনারেল হোসেন মোহেব্বি। তিনি কেবল বলেন, ইরান বিবৃতির চেয়ে কাজের মাধ্যমেই এসব সক্ষমতা প্রদর্শন করবে। বর্তমানে ইরানের জানা থাকা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা সর্বোচ্চ ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করা সম্ভব।

এদিকে হরমুজ প্রণালির পূর্বে একটি তেলবাহী জাহাজে মাইন বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তবে জাহাজটির নাম, পতাকা বা গন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জাহাজটি নিজেদের নেভিগেশন বিকন বন্ধ রেখে একটি ‘নিষিদ্ধ এলাকায়’ চলাচল করছিল।

এএম