তবে তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। জমির একটি মামলার প্রধান আসামি হিসেবে আদালতকে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন তিনি। ময়নুল হক জেলার আটোয়ারী উপজেলার বারো আউলিয়া এলাকার বাসিন্দা।
তার মামলার আইনজীবীর সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ময়নুল জমি সংক্রান্ত একটি মামলার হাজিরা দিতে এসেছিলেন। কিন্তু বিচারপতি পরিদর্শনে আসায় আদালত বসেনি। তিনি এজলাসের ভেতরে কিছুসময় বসেছিলেন। সেখানে একবার বমি করেন।’
তিনি বলেন, ‘পরে বাইরে এসে বেঞ্চে বসেন। তিনি কোনো অসুস্থতার কথাও বলেননি। স্বাভাবিকভাবে মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে ছিলেন। দীর্ঘসময় তার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে আমরা কাছে গিয়ে দেখতে পাই তিনি মারা গেছেন। পরে বিষয়টি পুলিশ ও তার পরিবারকে জানানো হয়।’
আরও পড়ুন:
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীপেন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, ‘আমরা লাঞ্চে যাওয়ার সময় তাকে ডাকার চেষ্টা করি। পরে অনেক লোকজন এসে কাছে গিয়ে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন।’
ময়নুল হকের ভাতিজা ফয়সাল কবির বলেন, ‘আমার চাচা তেমন কোনো অসুখ ছিল না। মামলার তারিখ ছিলো। তিনি নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে চালিয়ে আদালতে যান। বেশ কয়েকটি মামলা চলমান ছিলো। হঠাৎ আমরা খবর পাই তিনি মারা গেছেন।’
কোর্ট ইন্সপেক্টর খান মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘তিনি বেঞ্চে শুয়ে ছিলেন তার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে আমরা হাসপাতালে প্রেরণ করি। তবে অনেকেই বলছিলেন তিনি এখানেই মারা গেছেন।’
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুমন কুমার বণিক বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’





