প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী ২০৫ টাকা দরের ডিজেল ১৩৫ টাকা লিটার নির্ধারণ করেও ভর্তুকি দিতে হবে আরও ৭০ টাকা। দাম বাড়ানোর পরও ডিজেলে বছরে লোকসান হতে পারে ৪০ হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য জ্বালানি তেলে এ ভর্তুকি বাড়বে ১০ হাজার কোটি টাকা।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার স্বার্থে এবং প্রবাসী ভাইদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা থেকে ক্রয়কৃত জ্বালানি তেল যেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হয়ে যেতে না পারে, সে কারণে সরকারকে এই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। আশা করি জনগণ এটি বুঝতে সক্ষম হবে।’
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেউ সুযোগ নিয়ে যেন অতিরিক্ত দাম বাড়াতে না পারে সেজন্য বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।





