দীর্ঘ বিরতি শেষে ফিরছে ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ডিসপ্লে
দেশে এখন
0

১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতা মিলে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়েছিল। যার মাধ্যমে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জেনারেল জিয়াউর রহমান। আর অন্তিম সংকট মুহূর্তে জাতি ফিরে পায় নতুন নেতৃত্ব। তার ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ বিরতির পর ৭ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বনানীতে আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে শেষ প্রস্তুতি।

দীর্ঘবিরতির পর দেশে পালিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। দিবসটির তাৎপর্য ফুটিয়ে তুলতে প্রদর্শিত হবে বিশেষ ডিসপ্লে অনুষ্ঠান।

বনানীতে আর্মি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে তারই প্রস্তুতি। সকালে প্রস্তুতিমূলক প্রদর্শনীতে যোগ‌ দেন‌ চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান। প্রস্তুতি নিচ্ছে সারা দেশ থেকে আসা বিএনসিসি ক্যাডেট ও স্কাউটসদের দল। পাশাপাশি চলছে প্যান্ডেল সাজানো ও শেষ মুহূর্তের কাজ।

৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিন বাহিনীর প্রধান, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ডিসপ্লেতে অংশ নেবেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের ৩ হাজার ক্যাডেট ও বাংলাদেশ স্কাউটসে ৫০০ স্কাউটস। স্কাউটস সদস্যরা জানান, ১৫ দিন ধরে তারা ক্যাম্প করে আসছেন ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের জন্য।

আর্মি স্টেডিয়ামে বিশেষ প্রদর্শনীর তিনটি পর্বে সাজানো হয়েছে। প্রথমপর্বে থাকবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রণাঙ্গন থেকে রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার ইতিহাস। দ্বিতীয়পর্বে বেগম খালেদা জিয়ার আপোসহীনতার অনির্বাণ যাত্রা এবং তৃতীয়পর্বে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ফুটিয়ে তোলা হবে

জেআর