আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের হাসনাবাদ ১০ নম্বর সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত উজ্জ্বল কুমার রায়পুরার মেথিকান্দা এলাকার নারায়ণ চন্দ্র শীলের ছেলে। স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, উজ্জ্বল এক দিন আগে নরসিংদীতে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। আজ দুপুরে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরার চান্দেরকান্দি এলাকার অলি মিয়া (৪৫) ও গিয়াস উদ্দিন (৫৫); পূর্বপাড়া এলাকার রুহুল আমিন (৩০); নরসিংদী সদরের সুস্মিতা (১০), সোনিয়া শীল (৩০) ও প্রল্লাদ (১); রায়পুরা বাজারের ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন, তার মেয়ে লিপি (২৮) ও ছেলে আনিছ (৪)। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনসহ আহতদের মধ্যে দুই অটোরিকশা চালকও রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা রায়পুরার দিকে যাচ্ছিলো। একই সময় রায়পুরা থেকে আরেকটি অটোরিকশা নরসিংদীর দিকে যাচ্ছিলো। পথে হাসনাবাদ ১০ নম্বর সেতু এলাকায় সিএনজি দু’টির সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি সিএনজি দুমড়েমুচড়ে যায়।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত যাত্রী ও দুই চালকসহ ১২ জনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসক উজ্জ্বল কুমারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তবে অজ্ঞাতপরিচয় আরেক আহতকে ঢাকায় পাঠানো সম্ভব হয়নি বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। অন্যরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির বলেন, ‘দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১২ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দুই সিএনজির সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত উজ্জ্বল শীলের মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে। গুরুতর আহত আরও দু’জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।





