নিহত রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাঠালি পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যেখান থেকে পর্যটক রিয়াজ আহমেদ নিখোঁজ হয়েছিলেন, তার প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।
দুবলার চরে মৎস্য আহরণ করতে যাওয়া জেলে আব্দুল মান্নান বলেন, ‘টানার মাথা খালের চরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে তাৎক্ষণিক বন বিভাগকে জানাই। পরে তারা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।’
এর আগে, গত ৫ নভেম্বর পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে মিজানুর রহমান পরিচালিত ইকো ট্যুরিজম-২ বোর্ডে নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা-গাজীপুরের মোট ১৯ জন পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণে যান।
আরও পড়ুন:
৬ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত দুবলার চরে পৌঁছানোর আগেই নতুন জেগে ওঠা চরে আটকে যায় বোটটি। বোট ছাড়ানোর জন্য পর্যটকরা নিচে নেমে পড়েন। তবে ব্যর্থ হয়ে পুনরায় সকলে বোটে উঠলেও গননা করে দেখা যায়, একজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। সেই থেকে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
নিখোঁজের খবর পেয়ে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলেরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। অবশেষে শনিবার রাতে দুবলার চরের অদূরে টানার মাথা খাল সংলগ্ন নদীর চর থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বোট থেকে নামার পর নদীর স্রোতে ভেসে যান রিয়াজ আহমেদ।
এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘দুই দিনের অভিযানের পর নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’





