গতকাল (শনিবার, ২০ জুন) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘৬০ দিন পর যদি কোনো চূড়ান্ত সমাধান না আসে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে দেয়া নিরাপত্তার বিনিময়ে ‘‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’’ বা অভিভাবক হিসেবে সেবা প্রদানের জন্য মাশুল আদায় করা হতে পারে।’ অতীত ও ভবিষ্যতের সুরক্ষা ব্যয়ের ‘প্রতিপূরণ’ হিসেবে এই অর্থ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
ট্রাম্প তার পোস্টে স্পষ্ট করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরোপ করা না হলে সেখানে কোনো টোল থাকবে না।’
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে ওই জলপথটি বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা আসার পর ট্রাম্প এই আল্টিমেটাম দিলেন। ইরান দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং ইসরাইল লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক্সিওসকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে নেই।’ তিনি আরও জানান, চুক্তির প্রতিটি বিষয় যেন মেনে চলা হয় তা নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী সেখানে ‘উপস্থিত ও সতর্ক’ রয়েছে এবং বর্তমানে ওই পথে জাহাজ চলাচল ‘স্বাভাবিক’ আছে।





