বিবৃতিতে মুজতবা খামেনি বলেন, ‘শত্রুরা যদি আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তাহলে সেই সংঘাত কখন এবং কোন শর্তে শেষ হবে, তা নির্ধারণ করবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী ও ইরানি জনগণ।’
একই সঙ্গে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন খামেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সম্পদ ইরানি বাহিনীর হামলার আওতায় আনতে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে ইরানের সেনাবাহিনীও সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। এর মধ্যে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কেশম দ্বীপের দক্ষিণে মাছ ধরার নৌকায় ড্রোন হামলা হয়েছে।





