কাতারের আমিরের গণমাধ্যম দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতার আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অবসানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এবং চলমান সংকট নিরসনে একটি সমন্বিত চুক্তিতে পৌঁছাতে দোহার মধ্যস্থতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাতের শুরুর দিকে কাতারসহ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলো হামলার শিকার হয়েছিল। ফলে নতুন করে কোনো উত্তেজনা যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে দেশগুলো। ফোনালাপে শেখ তামিম বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে যুদ্ধ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধানে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তির সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ওই ফোনালাপে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানের জন্য সব পক্ষকে নমনীয়তা ও সমঝোতার মনোভাব প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
চলতি সপ্তাহে তুরস্ক ও উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গেও টেলিফোনে কথা বলেছেন আরাগচি। সেসব আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি প্রাধান্য পায়।





