জ্বালানি সংকটের মধ্যে গত রোববার তেলের দাম ১৫-২০ টাকা বাড়ায় সরকার। এরপর মালিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শেষে কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়।
তবে আইএমএফের চাপে পড়ে নয়, পাচার ও ভর্তুকি এড়াতেই তেলের দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও রেল ও নৌ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ (শনিবার, ২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মন্ত্রী জানান, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে আলোচনা ছাড়াই ভাড়া কমে যাবে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা বন্ধের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘যদি তেলের দাম আবার কমে যায় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তো বাংলাদেশের বাজারের একটা সম্পর্ক আছে। কমে গেলে ওই একই অনুপাতে যে ফর্মুলাটা আছে সেই অনুপাতে কমে যাবে। এরপর আমরা ভাড়া সমন্বয় করতে আর কোনো মিটিংয়ের প্রয়োজন হবে না। তেলের দাম বাড়লে-কমলে যে প্রক্রিয়াটা ভাড়া নির্ধারিত হয় বা বিবেচনায় নেয়া হয়, সেটা প্রতিষ্ঠিত একটা প্রক্রিয়া ওই অনুপাতে সমন্বয় করা হবে।’
এদিকে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ এমন বিষয়ক সেমিনারে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্ধারিত ছয় স্থানে হকাররা নির্দিষ্ট ফি’র মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ছয়টি জায়গায় পাইলট বেসিসে আমরা ছয়টা মাঠ ঠিক করেছি, খোলা মাঠ। সেখানে তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দেবো কিউআর কোডসহ যাতে করে ওই রেজিস্ট্রেশন নাম্বার, তার নামটা অন্য কেউ নকল করে না নিতে পারে। তাদেরকে যে স্থায়ী চৌকি, সে চৌকি থাকবে না। কন্ডিশন সেটা হলো ট্রলি থাকতে হবে সেটা যে আঙ্গিকে হোক আমরা একটা ডিজাইন করে দিব বলেছি। সেটা নিয়ে আসবে আবার বাসায় নিয়ে চলে যেতে হবে অর্থাৎ ঐ জায়গায় রাখতে পারবে না এই কন্ডিশন।’
অন্যদিকে ধানমন্ডি লেকে পরিচ্ছন্ন ও মশক নিধক কার্যক্রমের অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রায় চারগুণ মানুষ বাস করে। ফলে সিটি করপোরেশনের কাজে কিছুটা ব্যত্যয় ঘটে।
আরও পড়ুন:
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘সিটি করপোরেশন তার সামর্থ্য অনুসারে করে তবে ব্যত্যয় আছে কারণ ঢাকা সিটিতে তার ধারণ ক্ষমতার তিন থেকে চার গুণ লোক বেশি বসবাস করে। তাদের বর্জ্য সিটি করপোরেশনের যে সক্ষমতা সেটি দিয়ে ব্যবস্থাপনাটা করা বেশ চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকির। বাট তারপরও সিটি করপোরেশন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি তৎপর আছে।’
দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালাম নগরাবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ময়লা-আবর্জনা জমে না থাকে নগরবাসীকে খেয়াল রাখতে হবে।’





