স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করা সহায়তা অব্যাহত থাকবে ইনশা আল্লাহ। এটা দিয়ে শুরু, এটা শেষ নয়।’
শফিকুর রহমান ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আরও সহযোগিতা করা হবে। প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য আরও যদি কিছু করতে হয়, তাহলে আমরা করবো ইনশা আল্লাহ।’
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘নিশ্চয়ই সরকারী দলের আশ্রয়- প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় অপকর্ম করার সাহস কেউ করবে না। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের কোথাও কোনো অসামাজিক, অপকর্ম করতে না পারে, সে ব্যাপারে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।’
আরও পড়ুন:
শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই দেশজুড়ে মব সন্ত্রাস চলছে।’
পাশাপাশি রাড্ডার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ডা.ফখরুদ্দিন মানিক, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য নাসির উদ্দীন, শাহ আলম তুহিন, ডা.মঈনুদ্দিন, জি এম হাফিজুর রহমান ও মনিরুল ইসলাম মৃধাসহ আরও অনেকে।





