পরে জামায়াতের ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
এসময় চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউয়িন, কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং, এটাচে মিস লিয়াং শুয়িং এবং পলিটিক্যাল এ্যাফেয়ার্স এ্যাটাচে ওয়াং ডাউয়েই উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
পোস্টে বলা হয়, বিদায়ী সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের আমির ও নেতারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরিতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলন পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনেট সময়ে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, পারষ্পরিক সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টিতে রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।





