নিহত ইসরাত উপজেলার দক্ষিণ ঘটকের আন্দুয়া গ্রামের মো. জামাল হাওলাদারের মেয়ে। সে সুবিদখালী র.ই. পাইলট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর সকালে পরীক্ষা দেয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় যুথি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। দুই দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশেই মেয়ের জুতা দেখতে পান তার বাবা। পরে জুতার সূত্র ধরে আশপাশে খুঁজতে গিয়ে পাশের একটি বাগানে মেয়ের মরদেহ দেখতে পান তিনি।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা জামাল হাওলাদার বলেন, ‘হঠাৎ মেয়ের জুতা দেখতে পেয়ে আশপাশে খুঁজতে থাকি। লোকজন আমাকে বলে, তুমি কি পাগল হয়ে গেছো? আমি বলি, আমার মেয়ের জুতা দেখতে পেয়েছি। এরপর খুঁজতে খুঁজতে বাগানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে পাই। আমার মেয়ের পরনে কিছু ছিলো না। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আলামত ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই কাজ করছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





