প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই অভিযানের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এমন পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা করতে পারে এবং এর জেরে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হামলার প্রস্তুতি এগিয়ে নেয়া হচ্ছিল। তবে এক ইসরাইলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা ভুলবশত বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেন। এরপরই ওয়াশিংটন দ্রুত তৎপর হয়ে অভিযানটি বন্ধ করার পদক্ষেপ নেয়।
অবশ্য নেতানিয়াহুর দপ্তর এই প্রতিবেদনের দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা বা বিষয় তাদের কার্যসূচিতে ছিল না।
এর আগে নির্বাচনের ঠিক দুদিন আগে চ্যানেল ১২ জানিয়েছিল, সম্ভাব্য একটি সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইসরাইলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের নজিরবিহীন বিরোধ তৈরি হয়েছিল। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা ছিল, আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা নেয়ার উদ্দেশ্যেই ইরান ইস্যুটিকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে রাজনৈতিক নেতৃত্ব। সাবেক ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাকও দাবি করেছেন, সেনাপ্রধানকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে মোসাদকে ব্যবহার করে ইরানে উসকানি সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু।
এদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন নেতানিয়াহু। তবে ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনাকে আরও কিছুটা সময় দেয়ার পক্ষে মত দেন।





