প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে আরও আকর্ষণীয় করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

টাঙ্গাইল
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
এখন জনপদে
দেশে এখন
0

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এবং প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আজ (শনিবার, ৭ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সম্মাননা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় এই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্মাননা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির ভিত্তি। তাই প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে এটি একটি লোভনীয় ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মেধাবীরা এ পেশায় আগ্রহী হয়।’

তিনি বলেন, ‘একটি ভবনের ভিত্তি যত শক্ত হয়, ভবন তত উঁচুতে উঠতে পারে। ঠিক তেমনই, একটি জাতির উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। তাই প্রাথমিক স্তরকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্দিরভিত্তিক এ শিক্ষা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠছে, পাশাপাশি তারা শিক্ষার ক্ষেত্রেও নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারছে।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলে কোনো কথা নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা মানুষ গড়ার কারিগর। একজন শিক্ষিত মানুষ তৈরির পেছনে শিক্ষকদের অবদান অপরিসীম। তাই শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।’

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু শ্যামল হোড়, মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এসএইচ