তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের ভূত কাদের ওপর আবার ফিরে আসছে। কারা আবার দেশের অরাজগতা তৈরি করতে চাচ্ছে। স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও এখনো স্বৈরাচারের ভূত রয়ে গেছে। কাজেই আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যাতে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে কেউ বাঁধাগ্রস্ত না করতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘এ দেশকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে আমাদের ঠিক করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে দিয়ে আমরাই এই দেশ গড়ে তুলবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা বিএনপির খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও পেশাদার খেলোয়াড় তৈরিসহ এসব কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করবে— বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবে। সেজন্য সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই জনসভায় দাঁড়িয়ে আপনাদের এবং মিডিয়ার সামনে বলতে চাই, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যখন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ডেকেছিলেন, তখন প্রথমে বিএনপি জুলাই সনদে সই করেছে। কাজেই যে জুলাই সনদ বিএনপি সই করে এসেছে, তার প্রত্যেকটি অক্ষর, প্রত্যেকটি শব্দ, প্রত্যেকটি লাইন ইনশা আল্লাহ আমরা বাস্তবায়ন করবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, এখন যারা বিরোধী দলে আছে, তারা (সই) করবে কি করবে না একটা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে। তাদের সঙ্গে একটা দল আছে তারা তখন সই-ই করে নাই। নির্বাচনের পরে গিয়ে সই করলো। তাদেরকে দেখলাম নির্বাচনের পরে গিয়ে হঠাৎ তড়িঘড়ি করে সই করেছে। যারা জুলাই আন্দোলন নিয়ে গলা ফাটায় তাদের তো আমরা প্রশ্ন করতে পারি, এতই যদি দরদ হয় প্রথমে সই করলেন না কেন?’
আরও পড়ুন:
এসময় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম পিন্টু, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আনোয়ারুল আজীম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে সন্তোষের ভাসানীর মাজারে তিনি কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে অনলাইনের মাধ্যমে সুইস চেপে শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন এবং গাছের চারা তুলে দেন। পরে পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।





